যে মহান বুযুর্গদের সোহবতে ধন্য হেলিকপ্টার:

এক. ফরিদাবাদ মাদারাসার মুহতামিম মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস ও তাঁর ছেলে একই মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা যুবায়ের।

দুই. ফরিদাবাদ মাদরাসার নায়েবে মুহতামিম এবং আব্দুল কুদ্দুস সাহেবের ভগ্নপতি মুফতী নূরুল আমীন ও তাঁর ছেলে আব্দুল্লাহ আল মাহদী।

তিন. ফরিদাবাদ মাদরাসার অন্যতম ও একমাত্র সিনিয়র শূরা ও আমেলা সদস্য মাওলানা মাওলানা আবুল কাসেম সাহেব।

তাঁরা গতকাল সকালে হেলিকপ্টারে হাটহাজারী যান অথচ মিটিং ছিল আজ সকাল ১০ টায়!

হেলিকপ্টার ব্যাবস্থা ও ব্যায়ভার কারা বহন করেছে তা জানতে চাহিয়া লজ্জা দিবেননা।
لا يجوز المذاكرة من حيث التفصيل فيه. ومن المعلوم أنَّ “دي جي إيف آي و إين إيس أي ” كان حاضرا في مجلس اليوم.

আজপর্যন্ত একদিনের প্রোগ্রামে কেউ হেলিকপ্টারে সফর করলে সে আগের দিন গিয়ে উপস্থিত হন এমন কোন নজীর নেই। এমনকি আল্লামা আহমদ শফী সাহেবও এ যাবৎ অনেক সফর করেছেন হেলিকপ্টারে কিন্তু এমন দুর্লভ নযীর নেই। কোন এলাকায় মাত্র একটা প্রোগ্রামের জন্য যেতে আসতে দুইদিন কপ্টার ব্যবহারের নযীর নেই।

গত ক’দিন পূর্বে এক লেখায় বলেছিলাম আমি, মিটিংয়ের পূর্বে সাব মিটিংয়ে হয়ে যাওয়া সিদ্ধান্তগুলোর কারনে শূরায়ী নেযামের মতো ঐশী এক ব্যাবস্থাপনা আজ জাতির কাছে প্রশ্নবিদ্ধ!

অথচ সাঈদ আহমাদ পালনপুরী রহ. শূরার মিটিংয়ের দিন দেওবন্দের পিছনের গেট দিয়ে ঢুকতেন যাতে অন্য কোন শূরার সদস্যের সাথে বৈঠকের আগে সাক্ষাত কিংবা আলাপচারিতা না হয়!!