এই পোষ্টের ঠিক আগের পোষ্টটিতেই বলেছি যে, ফরিদাবাদের বর্তমান মুতাওয়াল্লী আল্লামা শাহ্ অাহমাদ শফী হাফি. আর তিনি বর্তমানে শয্যাশায়ী।
ফরিদাবাদের গঠনতন্ত্রে উল্লেখিত মুতাওয়াল্লী নিযুক্ত করণ পন্থা সম্পর্কেও ধারনা দিয়েছি।

হাটহাজারী হযরতের ওয়াফাত পরবর্তী যিনি হাটাহাজারীর মুহতামিম হবেন তাঁর বড় ভূমিকা থাকবে ফরিদাবাদের মুতাওয়াল্লী নিযুক্ত করণে।

আল্লামা আশরাফ আলী রহ. জীবিত থাকতে এটা নিয়ে তেমন কোন টেনশন ছিলনা, কিন্তু কুদরতি ফায়সালায় তিনিই চলে গেলেন হাটহাজারী হযরতের আগে।

এখন সমীকরণ বড় জটিল অংকে দাড়িয়েছে কে হবেন ফরিদাবাদের পরবর্তী মুতাওয়াল্লী ও শূরা প্রধান?
অনূকুলে নেই তেমন সিনিয়র কেউ ই।

একপ্রকার অনায়াসেই শূরা প্রধান ও মুতাওয়াল্লীর পদ পেয়ে যাবেন মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস সাহেব।
তবে এটা কারো একক সিদ্ধান্তে হওয়া সম্ভব নয়, কারন মুতাওয়াল্লী নির্বাচন কমিটির মতামতের ভিত্তিতে নিযুক্ত হতে হবে।
তবে সে ক্ষেত্রে হাটহাজারী,পটিয়া + আর একটা প্রতিষ্ঠানের মুহতামিম যদি বেঁকে বসেন তাহলে আব্দুল কুদ্দুস সাহেবের মুতাওয়াল্লী হওয়ার প্ল্যান ভেস্তে যাবে!

তাই হাটহাজারীর মুহতামিম এমন কাউকেই হতে হবে যিনি আব্দুল কুদ্দুস সাহেবের পথ ক্লিয়ারে অবদান রাখবেন।
নিজে মুতাওয়াল্লী হওয়ার যোগ্য অথবা অন্য কাউকে মুতাওয়াল্লী বানানোর চিন্তা ভাবনা করবেন এমন কেউ হাটহাজারীর মুহতামিম পদে আসীন হওয়াটা ফরিদাবাদের জন্য চরম অসুখকর ও অস্বস্তিকর!

যদি পথ ক্লিয়ার পান তাহলে আব্দুল কুদ্দুস সাহেব মুতওয়াল্লী ও শূরার প্রধান আর নূরুল আমীন সাহেব বনে যাবেন মুহাতামিম!

এ ছক বাস্তবায়নে আসান কোন সহযোগী দরকার হাটহাজারীর মুহতামিম পদে, এর জন্যে যদি দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্ট সত্য বিষয় নিয়ে মিথ্যাচারও করতে হয় তবুও করবেন।

আর ইতিহাসের এক জঘন্যতম অধ্যায় হলো একই প্রতিষ্ঠানের দুই দু’জন ব্যাক্তি উম্মুল মাদারিসের শূরা সদস্য হওয়া স্বাভাবিক গঠনতন্ত্রে সম্ভব নয়। এবং কলঙ্কিত অধ্যায়ও বটে।
আব্দুল কুদ্দুস সাহেব এবং নূরুল আমীন সাহেব উভয় একই প্রতিষ্ঠান থেকে হাটহাজারীর শুরা সদস্য!!
উদ্দেশ্য সেই একটাই, পাল্লা ভারী রাখা।

যদি কোন দুর্ঘটনাবশত ফরিদাবাদের মুতাওয়াল্লীর পদ চলে যায় অন্য কারো হাতে যিনি আস্থার নন তখনই বর্তমান পরিবারতান্ত্রিক প্রশাসনের বেজে যাবে ১২ টা! উঠে আসবে অতীত আমলনামা!!

সুতরাং দূর থেকে সাজিয়ে নিজের ঘর ঘোছানো চিকনবুদ্ধির মাইর। এসব করতে গিয়ে কারো গায়ে মিথ্যাচারের কালেমা লেপন তো ছোটখাটো বিষয়!

অথবা জাতীয় মুফতী বোর্ডের প্রধান মুফতির কাছে ফতোওয়া থাকতেও পারে যে, দ্বীনের খাতিরে জায়েয!