Rashid Ahmad Qasemi এর স্মৃতিচারণ মূলক পোষ্ট থেকে সংক্ষেপিত।

একদিন বুখারী শরীফ ২য় খন্ডের কিতাবুল মাগাযী’র
باب قتل كعب بن الأشرف
(অর্থাৎ, কা’ব বিন আশরাফ হত্যার ঘটনার অধ্যায়)
এই অধ্যায়টি পুরো দেড় ঘন্টা সময় নিয়ে খুব উচ্ছাসের সাথে পড়ান৷

(বলে রাখা ভালো, কিতাবুল মাগাযী হল রাসূল সঃ এর সামরিক জীবন, কখন কোথায় কিভাবে অভিযান পরিচালনা করেছেন এ নিয়ে বিস্তারিত ঘটনা৷)

হুজুর এই ঘটনা পড়ানোর পর হুজুরের রুমে গেলাম, হুজুর! আমাকে দেখেই বললেন, রশীদ! #কিতাবুল_মাগাযী_পড়তে_ভয়_লাগে? কেউ জঙ্গি বলে কিনা এমন ভয় হয়?
আমি হঠাৎ করে কি জবাব দিব! না বুঝে দাঁড়িয়ে হ্যাঁ বা না কোনোটাই বলছি না৷
হুজুর বললেন, এই মুহুর্তে আমার রুম থেকে বের হয়ে যাও, যদি রাসূল সঃ এর সামরিক জীবনী নিয়ে সহীহ হাদীস পড়তে ভয় লাগে তাহলে এমন ছাত্র আমার লাগবে না, আমার ক্লাসেও বসতে হবে না৷
সাথে সাথে বললাম, জ্বী না, হুজুর! আমার কাউকে ভয় লাগে না, বরং এই সমস্ত সহীহ হাদীস পড়ে নিজেকে সত্যিকার ক্বিতাল ফী সাবীলিল্লাহ এর সত্যিকার মুজাহিদ হিসাবে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য অনুপ্রানিত হই৷
তখন হুজুর খুশী হলেন, বললেন: মিয়া! বাঁচতে হলে বুকে অদম্য সাহস নিয়ে বীরের মত বাঁচতে হবে, শিয়ালের মত লুকিয়ে লুকিয়ে না, শুধু হাদীসের মতন পড়ে গেলাম তা হবে না, বরং হাদীস গুলো রাসূল সঃ এর যামানার প্রেক্ষাপটকে সামনে রেখে পড়তে হবে৷
সুবহানাল্লা! ঐ দিন দেখলাম হুজুরের ঈমানী চেতনা! কি জযবা!
আমি ভয় পেয়ে গেছিলাম খুব খুব৷

হুজুরের ঈমানজাগানিয়া কয়েক লাইন উর্দূ কবিতা, যা হুজুর নিজ হাতে লিখে ডায়েরীটা আমাকে দিয়ে ছিলেন, পরে টাইপও করে ছিলাম, ৪১ টি পংক্তি, যা জোয়ানানে হেফাযতে ইসলামে আছে৷
آتش نمرود ظالم کو بجھاتے جاؤگے
نقشۂ باطل کو دنیا سے مٹاتے جاؤگے
اہل حق جب جرآت إیماں دکھاتے جائیں گے
اہل باطل ترس کھا کر تلملاتے جائیں گے
سوچ لو تم انقلاب آتا نہیں صندوق سے
نوجوانو! کرلو جو کرنا ہے بس…
আহ্! আহরে!…

আল্লাহ যেন, আমাদের সবাইকে বাবুনগরী হাফিযাহুল্লাহ’র মত নির্ভীক ঈমানদার হিসাবে কবুল করেন, আমীন

Image may contain: one or more people and people standing