মাওলানা কেফায়াতুল্লাহ আযহারী সাহেব! আপনাকে আপনার যোগ্যতা ও ক্রিয়েটিভিটির কারণে শ্রদ্ধা করি।আপনার মনে রাখতে হবে যোগ্যতার বলে বেফাকের পকেট কমিটিতে আপনি জায়গা করে নেননি বরং সাহেবযাদা আনাসের আশীর্বাদে একলাফে সহকারী মহাসচিব হয়েছেন।আপনি জায়গায় জায়গায় বলে বেড়ান হাটহাজারী হুজুর আপনাকে পদ দেওয়ার জন্য খুব চাপাচাপি করেন!আপনি সাম্প্রতিক ইস্যুতে দূর্নীতিবাজদের পক্ষে সরব হয়ে উঠেছেন, কয়েকঘন্টা আগে ওয়াযাতনামাও দিলেন তাওরীয়ার সূরতে!আচ্ছা আপনার কাছে সোজা সাপ্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিচ্ছি আপনি কি গতকাল বারিধারা যাননি? কেন কি উদ্দেশ্যে গিয়েছেন তার কী ওয়াযাহাত করেছেন নাকি শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করলেন??শুনতে পাচ্ছি আগামীকালের মিটিংয়ে পূর্ব দিকের চিঠি নিয়ে সাহেবযাদাও হাজির হবেন, যদি চিঠি ই মিটিং নিয়ন্ত্রক হয় তাহলে আমরা বলবো বেফাকের পয়সা খরচ করে মিটিং হতে পারেনা। মিটিং উপস্থিত সদস্যদের উন্মুক্ত মতামতের ভিত্তিতে হবে। কোন চিঠি – ফিঠি চলবেনা।এই চিঠি নীতির কারণে অনেক দায়িত্বশীল নিষ্ঠাবান আলেম বৈঠকে হাজির হতে চাননা, তারা বলেন, গিয়ে কী লাভ? ফয়সালা তো ওরা নিয়েই বসে, আমাদেরকে যিম্মী করে শুধু শুনিয়ে দেওয়ার জন্য, তারচে’ আমি না গেলে যদি বেফাকের কয়েকটাকা বাচে তবুও ভাল।আমরা এ সংস্কৃতির অবসান চাই।এবং মিটিংয়ের পূর্বে কোন সদস্যের ছায়া মিটিং দেখতে চাইনা। আমাদের আকাবির আমাদের নমুনা, সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. দেওবন্দে শুরার দিন পিছনের গেট দিয়ে ঢুকতেন, তাঁরা আমাদের কাছে আদর্শ রেখেগেছেন, আমাদেরকে নতুন কিছু করতে হবেনা।আর আমরা শুধু খাস কমিটির বৈঠক নয় অতিদ্রুত আমেলা ও শূরার মিটিং এ কার্যকরী পদক্ষেপ দেখতে চাই। ????? ????????

May be an image of 1 person