বেফাক মহাসচিবের পদত্যাগ উপলক্ষে হাটহাজারী হযরতের কাছে দু’আ নিতে যাওয়ার প্রোগাম বিমানের টিকেট কেটে চূড়ান্ত হওয়ার পরও আনাস মদনীর নির্দেশে আকস্মিক ক্যান্সেল করা হয়।কারণ তারা এই পদত্যাগের শোক সইতে পারবেনা,একারণে এখন নতুন ফন্দি পেতেছে যে, মহাসচিব যদি চেয়ারম্যান সাহেবের নিকট পদত্যাগপত্র জমা দেয় তাহলে আমরাও গনপদত্যাগ করবো। আর এতজনের পদত্যাগ কোনভাবেই হাটহাজারী হযরত গ্রহন করবেননা, অতএব মহাসচিবও বেঁচে গেল আমরাও বাঁচলাম। এমনকি এখন এ পদত্যাগ নাটকে অংশগ্রহনকারীর সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য মুওয়াফিকদের কাছে দাওয়াতনামাও চলছে।পদত্যাগে একজোট হওয়া ব্যাক্তিরা হল : মহাসচিব আব্দুল কুদ্দুস সাব, সহকারী মহাসচিব বোনজামাই নূরুল আমীন, সহ সভাপতি আনাস ও ফয়জুল্লাহ্।গতকাল সদ্য অব্যহতিপ্রাপ্ত বেফাক কর্মকর্তা ফরিদাবাদের উস্তাযুল বুখারী মাওলানা আব্দুল গনী সাহেব(মহাসচিবের চাচা) -র এক ফোনালাপেও এ বিষয়টি উঠে আসে, তিনি বলছিলেন যে, অভিযোগ উঠলেই কি পদত্যাগ করতে হবে? আর যদি করতেই হয় তাহলে মহাসচিব একা পদত্যাগ করবে কেন সবাই মিলে পদত্যাগ করবে।এ হচ্ছে তাদের প্ল্যান প্রোগ্রাম, তাছাড়া প্ল্যানটি উর্ধ্বতন প্রায় সিনিয়র সদস্যগনও জানেন।আমরা তরুণ প্রজন্মও চাই এভাবে তারা পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে পরীক্ষা দিক, তবে দুই নাম্বারী পথে নয়, ওপেন আমেলা ও শূরার কাছে পদত্যাগ দিক। সবার মতামত বুঝে সুস্থ সবল এবং রায় দেয়ার উপযুক্ত কোন মুরুব্বী ফায়সালা করবেন। অসু্স্থ মুরুব্বীকে আমরা শ্রদ্ধা করি, কিন্তু ফায়সালা করার মত তার শরয়ী’ যোগ্যতা নেই বলে এক্ষেত্রে তাকে মানতে পারিনা।অসু্স্থ ব্যাক্তির ফায়সালাও অসুস্থ হয় বিধায় আমরা সুস্থ সবল কারো ফায়সালা চাই। কোন সিন্ডিকেটের নয় বরং আমেলা ও শূরা সদস্য গনের উপস্থিতিতে সিদ্ধান্ত হোক।