মুফতী আবূ সাঈদ ও মুফতী উবায়দুল্লাহ সাহেব (ফরিদাবাদ) সম্পর্কে বেফাকের বহিষ্কৃত মাওলানা আব্দুল গনী সাহেবের ব্যাঙ্গাত্মক উক্তিগুলো ভুলে যাইনি, যা তিনি হাজারো ছাত্রের সামনে দরসে বলতেন। আরো অনেক সম্মানিত ব্যাক্তিদের নাম তাঁর মুখে তুচ্ছ তাচ্ছিল্যের সাথে আমি নিজকানে শুনেছি। ফরিদাবাদের ছাত্ররাও স্বাক্ষী। অথচ আমরা আজও জানিনা মুফতী সাহেবের অপরাধ কি?

এই আব্দুল গনী সাহেব সেই আব্দুল গনী সাহেব না, যিনি বেফাকে যুবায়ের বিন আব্দুল কুদ্দুসকে নাম্বার বাড়িয়ে ১ম স্থানে উন্নীত করেছেন?

এই আব্দুল গনী সাহেব তিনি না? যিনি ফরিদাবাদের মরহুম সদরুল মুদাররিসীন মাওলানা হাসসান সাহেব রহ. এর রুমে বসে বসে বুখারীর সানীর অংশ নিজে নেয়ার জন্য লবিং করেছেন?

এই আব্দুল গনী সাহেব তিনি না? যিনি ফরিদাবাদের শিক্ষাগত অধঃপতনের মূল কারিগড়? যার কাছে ভর্তি পরীক্ষা দিলে কারো ভর্তি আটকায়না!!

এই আব্দুল গনী সাহেব তিনি না? যিনি ফরিদাবাদে লাটে দাওরায় ছাত্র ভর্তি করানোর মূল উদ্দোক্তা?

এই আব্দুল গনী সাহেব তিনি না? যিনি আব্দুল কুদ্দুস সাহেবকে তাতীবাজার ইসলামিয়া মাদরাসায় থাকতে ফরিদাবাদে মুহতামিম নিয়োগ দেয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে অনেক পরে পুরোপরি সফল হয়েছেন?

হ্যাঁ, এই আব্দুল গনী সাহেব ও আব্দুল কুদ্দুস সাহেব সেই নব্বই দশকে ফরিদাবাদ ভাঙ্গনের পিছনে বড় খলনায়ক হিসাবে কাজ করেছেন!

কে কাকে কেন গালি দিচ্ছে? কার কোন্ স্বার্থে কখন আঘাত লেগেছে সব জানা আছে, তাও দূর থেকে নয় তাদের মুখ থেকেই শুনেছি, জেনেছি দেখেছি, ঘৃণা ভিতরে চেপে রেখেছি। হ্যাঁ, আব্দুল গনী সাহেবের সাদেগী যিন্দেগী প্রশংসনীয়, তাঁর ব্যাক্তিগত জীবন মেহনতের, কষ্টের সব সত্যকে স্বীকার করে অন্যায় অবিচার ও অনিয়মেরও প্রশংসা করে যাবো তা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।

পরিশেষে বলি “আমি পর্দার সামনের বুযুর্গী দেখে কাঁত হয়ে যাওয়ার লোক নই, পর্দার আড়ালের ইতিহাস স্বচক্ষে দেখেছি বলেই এত দৃঢ়ভাবে অসত্যের মোকাবেলা করি”