★ মহারিচালকের ব্যাপারেও দূর্নীতির অভিযোগ রয়েছে আমি কেন তা বলিনা সেটা বারংবার আমার কাছে জিজ্ঞাসা ও ট্যাগিং চলে আমি তার লোক।
আমি মহাপরিচালককে কাছ থেকে দেখেছি ই একদিন, বেফাকের কাউন্সিলের আগের দিন ফরিদাবাদে। ব্যাস এই একনজর দেখা, যিন্দেগীতে কোনদির বেচারার সাথে আমার কথা হওয়া তো দূরের কথা দেখা-সাক্ষাৎ মুসাফাহাও হয়নি।
ধরে নিলাম তার ব্যাপারে দূর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তাহলে সেগুলো অতীতে কোন মিটিংয়ে উত্থাপিত হয়েছিল? নাকি এখন ফোনালাপ ফাঁসে আটকা পড়ে তাকেও ফাসানোর অপচেষ্টা মাত্র!
এ সব ক্ষোভ তার উপর ঝাড়ার বড় একটা কারণ হলো সেদিনের আমেলার মিটিংয়ে তিনিই সর্বপ্রথম সাহস করে মহাসচিবের পদত্যাগের কথা বলেছিলেন, পরে অধিকাংশই তাকে দাবী জানান তারপর তিনি বললেন হাটহাজারী হুজুরের সাথে দেখা করে পরে জানাবেন।একটা বিষয় লক্ষণীয় মহাসচিব কিংবা তার সহযোদ্ধা নূরু, আনাস ও ফয়জুল্লাহ সহ কোন একজন সদস্যও কিন্তু তাকে নির্দোষ দাবি করেননি। কিংবা মহাপরিচালককেও অভিযুক্ত করেননি।

★ বর্তমান মহাসচিব চেয়ারে আসীন আছেন প্রায় সাড়ে ৩ বছর পর্যন্ত, এবং একক ক্ষমতাবলে হাটহাজারী হুজুরকে দিয়ে অনেক কিছুই পাশ করিয়েছেন। এতো মারাত্মক দূর্নীতিবাজ ও অসৎ মহাপরিচালককে সরানোর ব্যাপারে কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আমেলা ও শূরার বৈঠকে কেন বলেননি?
অথচ পূর্ণ ক্ষমতা আপনাদের হাতে এখানে কারো চাপ কিংবা প্রভাব প্রয়োগের সুযোগ ছিলনা, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে আপনার মুওয়াফিক সদস্যদের নিয়ে গিয়ে হাটহাজারী থেকে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে আনার মত জঘণ্য কাজও করেছেন! তো এই সহজ কাজটি না করে এখন বিপদে পড়ে আফসোস করছেন কেন?

★ মহাপরিচালক সাহেব জামায়াতের লোক এমন একটি কথা কোন্ ভূইফোঁড় পোর্টাল যেন লিখেছে।
আচ্ছা! তিনি জামায়াতের লোক এ কথাটি কি আজ প্রমাণিত হয়েছে? আমার এখন বড় গলায় অভিযোগের সুরে বলার অধিকার রয়েছে বেফাকের মত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সর্বোচ্চ পদে আপনাদের ভাষায় জামায়াতের লোক বসিয়ে রাখার মত জঘণ্য কাজ করার অপরাধ কি আল্লামা আহমদ শফী করেননি?
হ্যাঁ, দোষ আমি আহমদ শফী সাহেবকেই দিবো, আমেলা বা শুরাকে নয় কারণ ক্ষমতা যদি আমেলা শুরার হাতে হতো তাহলে এখনো মহাসচিব আব্দুল কুদ্দুস সাহেব এতো অন্যায়ের পরও চেয়ারে বসে মাথা উঁচিয়ে কথা বলার সুযোগ পেতেননা।

★ ওরা বলে বেড়াচ্ছে মহাসচিব সাহেব পদ কিভাবে পেলেন সেটা নিয়ে ওয়াযাহাতনামা পূর্ব দিকের কিবলা থেকে তাসদীক করিয়ে আনবেন। পাশাপাশি এটাও নাকি কান্নাকাটি করে সেই ওয়াজাহাতনামায় জুড়ে দিয়েছেন যে, আগের মহাসচিবের আমলের অনিয়ম ও দূর্নীতির দ্বায়ভার আমার উপর চাপানো হচ্ছে!!
আরে এসব নাটক পাব্লিক না বুঝলেও অন্তত আমি বুঝি। কথাটি সতর্কতা স্বরুপ বলে রাখলাম।
কারণ আমি মহাসচিব সাহেবকে খুব কাছ থেকেই দেখেছি। তিনি কাকে দিয়ে কোথায় কিভাবে নিখুঁতভাবে খেলার চেষ্টা করেন! আর বুদ্ধির ফেরিওয়ালা নূরুল আমীন সাব তো সাথে আছেই।

কথা সোজাসাপ্টা, মহাসচিবের অনিয়ম প্রমাণিত সত্য, এখন সেটাকে আরও অনেকে বড় বড় দূর্নীতির কথা বলে তিনিও থেকে যাওয়ার চেষ্টা করছেন!! তা হতে দেয়া হবেনা। তিনি তো যাবেনই সাথে যারা বিভিন্ন কেলেঙ্কারীতে অভিযুক্ত হন তাদেরকেও যেতে হবে। তিনি এবার মহাপরিচালক হোক কিংবা সহ সভাপতি/যুগ্ম মহাসচিব হোক অথবা ক্যাশিয়ার অথবা আরো বড়/বুড়ো যেই হোন।দ্রুত আমেলা ও শূরার বৈঠক চাই, এ প্রক্রিয়া ছাড়া সমাধানের কোন বিকল্প নাই।

#দূর্নীতি_মুক্ত_শিক্ষাঙ্গন_চাই।

May be an image of text that says "মহাসচিব বলে:- আমার চেয়েও বড় দুনীতিবাজ আছে তাই ছোট দুনীতিবাজ হয়ে আমিও থেকে যেতে চাই..... প্রজন্ন বলে:- ছোট-বড় কোন দুর্নীতিবাজেরই রক্ষা নাই....."