মুফতী আমিনী রহ. এর সুযোগ্য নাতি লালবাগের সাবেক শিক্ষক বর্তমানে আল আযহার ইউনিভার্সিটিতে অধ্যায়নরত তারুণ্যের অহংকার হাফেজ মাওলানা আশরাফ মাহদীকে মিশর যাওয়ার পথে দুবাই এয়ারপোর্ট থেকে ঠুনকো এক মিথ্যা মামলার কারণে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।

চলমান কওমী অঙ্গনের দূর্নীতিবাজ ও অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম যখন আমি কলম ধরি তখন ফরিদাবাদের নূরুল আমীন পুত্রদ্বয় মাহদী-মাহফুজ তাদের আইডি থেকে আশরাফ মাহদীর উপর জঘণ্য ও নোংরা অপবাদ দেয়, তার বিরুদ্ধে আশরাফ মাহদী চ্যালেঞ্জ ছুড়ে পোষ্ট দেয়।

এর কিছুদিন পর বেফাক কান্ড সামনে এলে দালাল গ্যাং প্রধান মুভী ফয়জুল্লাহ তার চামচা ওসমানদেরকে দিয়ে ফেক আইডির মাধ্যমে অপবাদ ছড়ায় যে, “উসামা মুহাম্মাদ” সে ই আশরাফ মাহদী, তারপর তার পরিবারের উপর দিতে থাকে ঘৃণ্য অপবাদ একের পর এক ফেক আইডি থেকে, যেটা আব্দুল কুদ্দুস গং এর ফরিদাবাদের দালালরাও একযোগে তাদের গ্রুপ ও টাইম লাইনে প্রচার করতে থাকে।

আশরাফ মাহদী তারউপর এভাবে ন্যাক্কারজনক অপবাদ সহ্য করতে না পেরে এক ফেসবুক পোষ্টের মাধ্যমে মুভী ফয়জুল্লাহর ফেক আইডির ইতিবৃত্ত ও অতীতের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরে। এরপর থেকে শুরু হয় তাদের ঘৃণ্য নাটকীয়তা! চট্টগ্রামের ওসমান কাশেম তার উপর কথিত হামলার নাটক সাজিয়ে ঠুকে দেয় মামলা, মামলার বিবরণীতে সে দাবী করে তাকে কোন্ বাসায় মিলাদ পড়তে যাওয়ার দাওয়াত দিয়ে তার উপর হামলা চালিয়ে তার টাকা পয়সা মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

মামলার এজহারে সে দাবী করে আহমদ শফী সাহেবের পক্ষ হয়ে জুনায়েদ বাবুনগরীর অপকর্মের বিরুদ্ধে ফেসবুকে লেখালেখি করায় তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা করা হয়!এই পরিকল্পিত নাটকের মামলায় সে আসামী করে:
১। আহসান উল্লাহ্ (হাটহাজারী উলামা পরিষদ)
২। মুফতী সাখাওয়াত হুসাইন রাযী (লালবাগ)
৩। মাওলানা যুবায়ের আহমাদ (লালবাগ)
৪। মুফতী হারুন ইজহার (লালখান বাজার, চট্টগ্রাম)
৫। মাওলানা আসাদুল্লাহ্(তরুণ আলেম, হাটহাজারী)
৬। মাওলানা মীর ইদ্রিস (হাটহাজারী উলামা পরিষদ)
৭। মাওলানা কামরুল ইসলাম (হাটহাজারী)
৮। মাওলানা যাকারিয়া নোমান ফয়েজী (মেখল)
৯। হাফেজ মাওলানা আশরাফ মাহদী (লালবাগ)প্রমূখ সহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০/১২ জনকে।

এটা দিবালোকের ন্যায় সকলের নিকট স্পষ্ট যে কথিত নাটকীয় হামলার সাথে উপরোক্ত কারো উস্কানি দেয়া তো দূরের কথা নূন্যতম কোন সংশ্লিষ্টতা নেই এবং কোনভাবে থাকার সম্ভাবনাও নেই । এরা এ ধরনের ঘৃণ্য কাজকে সমর্থন করবে বলে কোন পাগলও বিশ্বাস করবেনা।

সবেমাত্র গতকাল এ মামলার ওয়ারেন্ট জারী হয়েছে যা তালিকার কারোই জানা নেই। এমনকি এখনও পর্যন্ত কোন নোটিশ কারো কাছে হস্তগত হয়নি।পূর্ব নির্ধারিত নিয়মতান্ত্রিক ফ্লাইটে গতকাল আশরাফ মাহদী মিশরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করে।এর মধ্যে তাকে ইমিগ্রেশনে কোন ধরনের জিজ্ঞাসাবাদ পর্যন্ত করা হয়নি। ফ্লাইট দুবাই ট্রানজিট হলে সেখানের কর্মকর্তারা তাকে জানান যে, বাংলাদেশ থেকে রিপোর্টের কারণে তাকে ফেরত পাঠাতে বাধ্য হচ্ছে তারা! যদি একটা মেইল ক্লিয়ারেন্সও আসে তাহলে তাকে প্রয়োজনে একদিন পরে হলেও মিশর পাঠিয়ে দিবে।

এ বিষয়ে পারিবারিকভাবে প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের বিভিন্ন জনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা যথেষ্ট আন্তরিকতা দেখালেও শেষ পর্যন্ত মামলার বাদীর কারণে অপারগতা প্রকাশ করে। একমাত্র সমাধান বাদী যদি মামলা প্রত্যাহার করে!

তারপর বাদী “ওসমান কাশেম” এর সাথে যোগাযোগ করা হলে প্রথমে বলে আবুল হাসানাত আমিনী যদি মামলা প্রত্যাহার করতে বলে আমি এখনই প্রত্যাহার করবো, এরপর নানা নাটকীয়তার পর আরেক দফায় সে বলে এ মামলার কিছুই আমার হাতে নেই এটা এমপি আবু রেজা নদভীর হাতে!

আমরা “ওসমান কাশেম” কে বলছি যাদের পরামর্শেই তুমি এই মামলা করে থাকো অতিদ্রুত মামলা প্রত্যাহার করে নাও, যদি এই মামলার কারণে আশরাফ মাহদীকে ফিরে এসে কারাবরণ করতে হয় তাহলে পর্দার আড়াল থাকা আনাস- ফয়জুল্লাহ, আব্দুল কুদ্দুস – নূরুল আমিন, রুহী – আলতাফ এবং হাসানাত সহ যারাই খেলছে সবাইকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে ইনশাআল্লাহ্।এখনো সময় আছে দ্রুত সমাধান করে তাকে মিশর পৌঁছতে দিন। না হয় ভয়াবহ পরিস্থিতির দায়ভার কেউ এড়াতে পারবেনা।পরিকল্পিত এই মিথ্যা মামলায় যদি আশরাফ মাহদী সহ কাউকে গ্রেপ্তার করা হয় তাহলে অবস্থা হবে ভয়াবহ।এ লড়াই রুখে দেয়ার শক্তি কারো থাকবেনা ইনশাআল্লাহ্, এ লড়াই অস্তিত্বের লড়াই, এ লড়াই তারুণ্যের লড়াই।

????? ????????